ওয়েবসাইটের কাঠামোঃ সাধারণত একটি ওয়েব সাইটে অনেকগুলো পেইজ থাকে। প্রতিটি পেইজে বিভিন্ন কন্টেন্ট বা উপাদান থাকে। একটি ওয়েবসাইটের সমস্ত পেইজগুলো একটি অপরটির সাথে যুক্ত থাকার বৈশিষ্ট্য কেই বলা হয় ওয়েবসাইটের কাঠামো বা লেআউট বা ওয়েবসাইট স্ট্রাকচার। অর্থাৎ ওয়েবসাইটের কাঠামোর সাহায্যে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো একটি অপরটির সাথে কিভাবে যুক্ত থাকবে তা বুঝা যায়। এটি চার ধরণের হয়ে থাকে। যথা-

১। ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল স্ট্রাকচার

২। নেটওয়ার্ক স্ট্রাকচার

৩। লিনিয়ার বা সিকুয়েন্সিয়াল স্ট্রাকচার

৪। হাইব্রিড বা কম্বিনেশন স্ট্রাকচার

১। ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল স্ট্রাকচারঃ এ পদ্ধতিতে ওয়েবসাইটের হোম পেইজের সাথে সাব পেইজ এবং সাব পেইজের সাথে অন্যান্য আরও পেইজ যুক্ত থাকে যা একটি ট্রি এর মত হয়, তাই একে ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল কাঠামো বলা হয়।


চিত্রঃ ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল ওয়েবসাইট কাঠামো

২। নেটওয়ার্ক স্ট্রাকচারঃ এ পদ্ধতিতে ওয়েবসাইটের সবগুলো পেইজ একটি অপরটির সাথে যুক্ত থাকে। হোম পেইজের সাথে অন্যান্য পেইজের এবং অন্যান্য পেইজের সাথেও হোম পেইজের কানেকশন থাকে।


চিত্রঃ নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইট কাঠামো

৩। লিনিয়ার বা সিকুয়েন্সিয়াল স্ট্রাকচারঃ এ পদ্ধতিতে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো একটি নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে একটি অপরটির সাথে যুক্ত থাকে। কোন পেইজের পর কোন পেইজ আসবে তা NEXT, PREVIOUS, FIRST, LAST ইত্যাদি লিঙ্কের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

 

Home Page

 

P-1

P-2

P-3

 

 

চিত্রঃ  লিনিয়ার বা সিকুয়েন্সিয়াল স্ট্রাকচার

৪। হাইব্রিড বা কম্বিনেশন স্ট্রাকচারঃ এ পদ্ধতিতে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো একাধিক ওয়েবসাইট কাঠামো দ্বারা একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে।

Advertisements

advertise

Copyright © Tutorials Valley