ডিজিট বা অঙ্কঃ কোনো সংখ্যা পদ্ধতি লিখে প্রকাশ করার জন্য যে সমস্ত মৌলিক সাংকেতিক চিহ্ন ব্যাবহার করা হয়, তাকে ডিজিট বা অঙ্ক বলে।

সংখ্যা পদ্ধতিঃ বিভিন্ন মৌলিক সাংকেতিক চিহ্ন বা অঙ্ক ব্যাবহার করে, সংখ্যা লেখা ও প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি (Number System ) বলা হয়।

পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিঃ যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যাটির মান, সংখ্যা পদ্ধতির মৌলিক চিহ্ন বা অঙ্কের, অবস্থানের উপর ভিত্তি করে নির্ণয় করা হয় তাকে পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।

নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিঃ যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না, বা সংখ্যাটির মান সংখ্যা পদ্ধতির মৌলিক চিহ্ন বা অঙ্কের, অবস্থানের উপর ভিত্তি করে নির্ণয় করা হয় না, বা ঐ সংখ্যায় ব্যবহৃত প্রতীকগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না, তাকে নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।

সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তিঃ কোনো সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি বলতে ঐ সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত মোট অঙ্ক বা প্রতীক সমূহের সংখ্যাকে বুঝায়।

দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিঃ যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১০ টি অঙ্ক ব্যাবহার করা হয় তাকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।

বাইনারী সংখ্যা পদ্ধতিঃ যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ২ টি অঙ্ক ব্যাবহার করা হয় তাকে বাইনারী সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। 

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিঃ যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮ টি অঙ্ক ব্যাবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিঃ যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি অঙ্ক ব্যাবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।     

বিটঃ বাইনারী সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত প্রতিটি অঙ্ককে এক একটি বিট বলা হয়। Bit comes from Binary Digit.

বাইটঃ ৮ বিট নিয়ে এক বাইট গঠিত। এক বাইট সমান এক ক্যারেক্টার।

নিবলঃ ৪ বিট নিয়ে এক নিবল গঠিত। এক বাইটের অর্ধেক এক নিবল।

সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তরঃ এক সংখ্যা পদ্ধতি থেকে অন্য সংখ্যা পদ্ধতিতে পরিণত করাকে সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর বলা হয়।

চিহ্ন বিটঃ রেজিস্টার পদ্ধতিতে ব্যবহৃত বাইনারী সংখ্যায় ধনাত্মক বা ঋণাত্মক চিহ্ন বোঝানোর জন্য সংখ্যার সর্ব বামে ব্যবহৃত একটি বিটকে চিহ্ন বিট বলা হয়।

চিহ্নযুক্ত সংখ্যাঃ চিহ্ন বিট যুক্ত সংখ্যাকে চিহ্নযুক্ত সংখ্যা বলা হয়।

নিগেশনঃ কোনো ধনাত্মক সংখ্যাকে ঋণাত্মক সংখ্যায় বা কোনো ঋণাত্মক সংখ্যাকে ধনাত্মক সংখ্যায় পরিবর্তন করাকে নিগেশন বা বিপরীতকরণ বলা হয়।

১ এর পরিপূরকঃ বাইনারি সংখ্যায় ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে উল্টানো সংখ্যাকে ১ এর পরিপূরক বলে।  

২ এর পরিপূরকঃ কোনো বাইনারি সংখ্যায় ১ এর পরিপূরকের সাথে ১ যোগ করলে ঐ সংখ্যার ২ এর পরিপূরক পাওয়া যায়।

কম্পিউটার কোডঃ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত প্রতিটি বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ চিহ্নকে আলাদাভাবে বুঝানোর জন্য বাইনারি বিটকে রূপান্তর করে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যে অদ্বিতীয় সংকেত তৈরি করা হয় তাকে কম্পিউটার কোড বলে।

অক্টাল কোডঃ ৩ বিট বিশিষ্ট বাইনারি কোডকে অক্টাল কোড বলা হয়।

হেক্সাডেসিমেল কোডঃ ৪ বিট বিশিষ্ট বাইনারি কোডকে হেক্সাডেসিমেল কোড বলা হয়। 

BCD কোডঃ BCD শব্দ সংক্ষেপটির পূর্ণ রূপ হলো  Binary Coded Decimal. দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিসিডি কোড ব্যবহৃত হয়।

ASCII কোডঃ ASCII আসকি শব্দ সংক্ষেপটির পূর্ণ রূপ হলো  American Standard Code for Information Interchange.

 

আলফানিউমেরিক কোডঃ বর্ণ, অঙ্ক এবং বিভিন্ন গাণিতিক চিহ্ন সহ ( +,-,×,÷ ) আরও কতগুলো বিশেষ চিহ্নের (!,@,#,%,&,$) জন্য ব্যবহৃত কোডকে আলফানিউমেরিক কোড বলে।

ইউনিকোডঃ ইউনিকোড শব্দটির পূর্ণ রূপ Universal Code. ইউনিকোডের মাধ্যমে ২১৬  = ৬৫৫৩৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। বিশ্বের সকল ভাষাকে ইউনিকোডের সাহায্যে কম্পিউটারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

Advertisements

advertise

Copyright © Tutorials Valley