বুলিয়ান বীজগণিত

ডিজিটাল সিস্টেমঃ যে পদ্ধতিতে সংখ্যা বা ডিজিটের মাধ্যমে সব কিছু প্রকাশ করা হয় তাকে ডিজিটাল সিস্টেম বলা হয়।

ডিজিটাল ডিভাইসঃ ডিজিটাল সার্কিট দিয়ে তৈরি যন্ত্রকে ডিজিটাল ডিভাইস বলা হয়।

বুলিয়ান বীজগণিত বা বুলিয়ান অ্যালজেবরাঃ ইংরেজ গণিতবিদ জর্জ বুল প্রদত্ত যুক্তির উপর ভিত্তি করে যে বীজগণিত তৈরি হয়েছে তাকে বুলিয়ান বীজগণিত বলা হয়।

বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধঃ যোগ এবং গুণের ক্ষেত্রে বুলিয়ান বীজগণিত কতগুলো নিয়ম মেনে চলে, এই নিয়মগুলকে বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ বলা হয়।

বুলিয়ান ধ্রুবকঃ বুলিয়ান বীজগণিতে কোনো রাশির মান যদি স্থির বা অপরিবর্তনশীল থাকে, তবে তাকে বুলিয়ান ধ্রুবক বলা হয়।

বুলিয়ান চলকঃ বুলিয়ান বীজগণিতে কোনো রাশির মান যদি পরিবর্তনশীল হয় বা ভিন্ন অবস্থার নির্দেশ করে, তবে তাকে বুলিয়ান চলক বলা হয়।

বুলিয়ান পূরকঃ বুলিয়ান চলকের কোনো রাশির বিপরীত মানকে বুলিয়ান পূরক বলা হয়। যেমন- ১ এর বুলিয়ান পূরক ০, আবার ০ এর বুলিয়ান পূরক ১।

দ্বৈত নীতিঃ AND এবং OR অপারেশনের সাথে সম্পর্কযুক্ত নীতি কে বলা হয় দ্বৈত নীতি।

সত্যক সারণিঃ যে সারণির সাহায্যে বুলিয়ান বীজগণিতের বিভিন্ন ইনপুটের মানগুলোর সম্ভাব্য আউটপুট মান দেখানো হয় তাকে সত্যক সারণি বলা হয়।

মিনটার্মঃ লজিক্যাল ফাংশনের ইনপুট হিসেবে যেসব চলক ব্যবহার করা হয়, সেসব চলকের গুণফলের বিভিন্ন সমাবেশকে মিনটার্ম বলা হয়।

লজিক গেইটঃ বুলিয়ান বীজগণিতের ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য যে ইলেকট্রিক সার্কিট ব্যবহার করা হয় তাকে লজিক গেইট বলা হয়।

মৌলিক গেইটঃ যে গেইটগুলো এককভাবে একটি গাণিতিক অপারেশন সম্পন্ন করতে পারে তাকে মৌলিক গেইট বলা হয়।

যৌগিক গেইটঃ দুই বা ততোধিক মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে যে গেইট তৈরি করা হয় তাকে যৌগিক গেইট বল হয়।

অর() গেইটঃ বুলিয়ান বীজগণিতের যোগের কাজ করার জন্য যে গেইট ব্যবহার করা হয় তাকে অর গেইট বলা হয়। 

অ্যান্ড() গেইটঃ বুলিয়ান বীজগণিতের গুণের কাজ করার জন্য যে গেইট ব্যবহার করা হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলা হয়। 

নট() গেইটঃ বুলিয়ান বীজগণিতের পূরকের বা বিপরীত কাজ করার জন্য যে গেইট ব্যবহার করা হয় তাকে নট গেইট বলা হয়। 

সার্বজনীন গেইটঃ যে সকল গেইট দ্বারা সকল প্রকার গেইট বাস্তবায়ন করা যায়, সে সকল গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়। সার্বজনীন গেইট ২টি। ন্যান্ড ও নর।

ন্যান্ড গেইটঃ অ্যান্ড গেইটের আউটপুট কে নট গেইট দিয়ে প্রবাহিত করলে ন্যান্ড গেইেটর কাজ হয়।

নর গেইটঃ অর গেইটের আউটপুট কে নট গেইট দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইটের কাজ হয়।   

এনকোডারঃ এনকোডার হচ্ছে এমন এক ধরনের লজিক সার্কিট যা মানুষের ভাষাকে কম্পিউটারের ভাষায় রূপান্তর করে।

ডিকোডারঃ ডিনকোডার হচ্ছে এমন এক ধরনের লজিক সার্কিট যা কম্পিউটারের ভাষাকে মানুষের ভাষায় রূপান্তর কর

অ্যাডারঃ অ্যাডার হচ্ছে এমন একটি সমবায় সার্কিট যা বাইনারি যোগের কাজ  করে।

হাফ অ্যাডারঃ যে অ্যাডার দুটো বিট যোগ করে তাকে হাফ অ্যাডার বলে।

ফুল অ্যাডারঃ যে অ্যাডার ক্যারি সহ দুটো বিট যোগ করে তাকে ফুল অ্যাডার বলে।

রেজিস্টারঃ রেজিস্টার হল একটি মেমোরি ডিভাইস যা বিট সংরক্ষণ করার কাজে ব্যবহার হয়।

কাউন্টারঃ যে লজিক সার্কিটের মাধ্যমে ইনপুটে প্রদত্ত পালসের এর সংখ্যা গণনা করা যায় তাকে কাউন্টার বলে।

Advertisements

advertise

Copyright © Tutorials Valley