Documentation Section

Link Section

Definition Section

Global Declaration Section

Main()  function section

{

                Declaration Part

                Executaable Part

}

Subprogram Section

{

                Function 1

Function2

……

Function n

}

 

সি প্রোগ্রামের মৌলিক কাঠামোঃ

একটি সি প্রোগ্রামের মূলত ৬টি অংশ থাকে।

১। ডকুমেন্টেশন সেকশন (Documentation Section) 

২। লিংক সেকশন( Link Section)

৩। ডেফিনেশন সেকশন (Definition Section)

৪। গ্লোবাল ডিক্লারেশন সেকশন(Global Declaration Section)

৫। মেইন ফাংশন সেকশন( Main()  function section)

৬। সাব প্রোগ্রাম সেকশন( Subprogram Section)  

 

 

 

 

 

১। ডকুমেন্টেশন সেকশন (Documentation Section): এই অংশে প্রোগ্রামের নাম, প্রোগ্রামারের নাম, ব্যবহারের নিয়ম কানুন, প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য লিখা হয়। এটি প্রোগ্রামের ঐচ্ছিক অংশ। প্রোগ্রাম নির্বাহে এই অংশের কোনো ভূমিকা নেই।

একাধিক লাইনের জন্য কমেন্ট লিখা হয় এভাবে */ This is comment section */

এক লাইনের জন্য কমেন্ট লিখা হয় এভাবে // This is comment section  

২। লিংক সেকশন( Link Section): এট প্রোগ্রামের অত্যাবশ্যকীয় অংশ। প্রোগ্রামে ব্যবহৃত বিভিন্ন ফাংশনের জন্য প্রয়োজনীয় Header ফাইল এখানে যুক্ত করতে হয়। প্রোগ্রামের শুরুতেই এটি লিখতে হয়।

Header ফাইল যুক্ত করতে হয় এভাবে  #include

৩। ডেফিনেশন সেকশন (Definition Section): প্রোগ্রামে ধ্রুবকের প্রয়োজন হলে এই অংশে ধ্রুবকের মান ঘোষণা করতে হয়। লিখতে হয় এভাবেঃ #define pi=3.1416;

৪। গ্লোবাল ডিক্লারেশন সেকশন(Global Declaration Section): যেসব চলক বা ভেরিয়েবল প্রোগ্রামের সর্বত্র ব্যবহার হয় তাদের গ্লোবাল ভেরিয়বল বলা হয়। এই অংশে গ্লোবাল ভেরিয়েবল ডিক্লেয়ার করতে হয়।

৫। মেইন ফাংশন সেকশন( Main()  function section): এটি সি প্রোগ্রামের মূল অংশ। এটি লেখার নিয়মঃ

main(){

 

 

}

মেইন ফাংশনের দুটি অংশ রয়েছে। ঘোষণা অংশ ও নির্বাহ অংশ। ঘোষণা অংশে মূলত বিভিন্ন চলক ঘোষণা করা হয়। আর নির্বাহ অংশে সমস্ত কাজ করা হয়।

৬। সাব প্রোগ্রাম সেকশন( Subprogram Section): এখানে ব্যবহারকারীরা ফাংশন তৈরি করে থাকে। এটি ঐচ্ছিক অংশ।

 

সি প্রোগ্রামের বৈশিষ্টঃ

১। ‘সি’ কে মধ্যম স্তরের ভাষা বা মিড লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়। কারণ, এতে নিন্মস্তরের ভাষার সুবিধা বিট, বাইট, মেমরি এড্রেস নিয়ে কাজ করা যায়। আবার উচ্চস্তরের ভাষার সুবিধা যেমন ডেটা টাইপ নিয়ে কাজ করা যায়। অর্থাৎ ‘সি’ ভাষায় নিন্মস্তরের ভাষা ও উচ্চস্তরের ভাষার সুবিধা পাওয়া যায়, তাই ‘সি’ কে মধ্যম স্তরের ভাষা বা মিড লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।  

২। ‘সি’ কে কেইস সেনসিটিভ ভাষা বলা হয়। কারণ, ‘সি’ ভাষায় ব্যবহৃত অক্ষর গুলো আলাদা অর্থ বহন করে অর্থাৎ ছোট হাতের অক্ষর এবং বড় হাতের অক্ষর আলাদা আলাদা মান বুঝায়। যেমন- main এবং MAIN এক অর্থ নয়। আবার ‘সি’ তে কিছু কীওয়াড আগে থেকেই লাইব্রেরী ফাংশনে তৈরি করা আছে যার আলাদা আলাদা কাজ আছে, তাই ঐ সমস্ত শব্দগুলো নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে।

৩। ‘সি’ তে লিখিত লাইনকে স্টেটমেন্ট বলা হয়। প্রতিটি স্টেটমেন্ট এর শেষে সেমিকোলন(;) দিতে হয়।

  

৪। ‘সি’ কে স্ট্রাকচারড ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়। কারণ, ‘সি’ তে মূল সমস্যাকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে প্রতিটি ভাগে প্রয়োজনীয় ভেরিয়েবল, ফাংশন, ধ্রুবক ইত্যাদি ব্যবহার করা যায় এবং কন্ট্রোল স্টেটমেন্টও ব্যবহার করা যায়।

৫। ‘সি’ তে পর্যাপ্ত সংখ্যক লাইব্রেরি ফাংশন, কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট ও ব্রাঞ্চিং স্টেটমেন্ট ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।

Advertisements

advertise

Copyright © Tutorials Valley