ডেটাঃ ডেটা বা উপাত্ত হল তথ্যের ক্ষুদ্রতম উপাদান। তথ্যের ক্ষুদ্রতম অংশ হল ডেটা।  

তথ্যঃ দুই বা ততোধিক উপাত্তের অর্থবোধক সমষ্টি হল তথ্য বা ইনফরমেশন। তথ্য হল প্রক্রিয়াজাত ডেটা।  

ডেটা টেবিলঃ একই জাতীয় ডেটা সমূহ যে টেবিল বা ছক এ সংরক্ষন করে রাখা হয় তাকে ডেটা টেবিল বলে। 

ডেটাবেজঃ সমজাতীয় এক বা একাধিক ডেটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত হয় ডেটাবেজ। অর্থাৎ  একই জাতীয় এক বা একাধিক ডেটা টেবিলের সমষ্টি কে বলা হয় ডেটাবেজ।

ফিল্ডঃ ফিল্ড হল রেকর্ড এর ক্ষুদ্রতম উপাদান। একটি রেকর্ডের প্রতিটি উপাদানকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

রেকর্ডঃ দুই বা ততোধিক ফিল্ড এর সমন্বয়ে গঠিত হয় রেকর্ড। সাধারণত একটি row বা সারিকে রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।  

এনটিটিঃ একটি ডেটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য যে নাম দেওয়া হয় তাই হচ্ছে এনটিটি। এনটিটি হল সত্তা যা দিয়ে অবজেক্ট কে চিহ্নিত করা যায়।

এট্রিবিউটঃ এনটিটি এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে ফিল্ড সমূহ ব্যাবহার করা হয় তাকে বলা হয় এট্রিবিউট।    

এনটিটি সেটঃ একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়।

ভ্যালুঃ প্রতিটি এট্রিবিউট এর মানকে ভ্যালু বলা হয়।

কীঃ কী হচ্ছে একটি বিশেষ এট্রিবিউট যা দিয়ে কোনো এনটিটির এক বা একাধিক এট্রিবিউটকে সহজেই সনাক্ত করা যায়।

প্রাইমারী কীঃ যে কী দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট এনটিটির কোনো এনটিটি সেটকে সম্পূর্ণ ভাবে শনাক্ত করা যায় তাকে প্রাইমারী কী বলা হয়।

ফরেন কীঃ একটি টেবিলের প্রাইমারী কী অন্য টেবিলে সাধারণ কী হিসেবে ব্যবহৃত হয় তবে তাকে ফরেন কী বলা হয়।

ডেটাবেজ সফটওয়্যারঃ যে সফটওয়্যারের সাহায্যে ডেটা সংরক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী কাজে লাগানো যায় তাকে ডেটাবেজ সফটওয়্যার বলা হয়। যেমনঃ Oracle, MySQL.

DBMS: Database Management System. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর সাহায্যে ডেটা তৈরি, ডেটা এন্ট্রি, ডেটা ডেটা সংরক্ষণ, ডেটার ভুল অনুসন্ধান ও সংশোধন, ডেটা ডিলিট বা মুছে ফেলতে, রিপোর্ট তৈরি, ডেটা আপডেট সহ বিভিন্ন কাজ করা হয়। 

RDBMS: Relational Database Management System. পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডেটাবেজকে রিলেশনাল ডেটাবেজ বলা হয়।

Advertisements

advertise

Copyright © Tutorials Valley